সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার এবং ভারতীয় গুপ্তচরদের গল্প।


Photo: ProthomAlo and The Daily Star 


ডেইলি স্টার এবং ভারতীয় গুপ্তচরদের গল্প।



ডেইলি স্টার বাংলাদেশর প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক ইংরেজি সংবাদ মাধ্যম। তবে সংবাদ মাধ্যমটি পূর্বে এবং বর্তমানে বেশ কিছু কুচক্রী কাজ করেছে

যা বাংলাদেশের স্বাধীন সার্বভৌমত্বের পূর্ণ লঙ্ঘন। সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার অজুহাতে কুচক্রী কার্য সম্পূর্ণ করে ডেইলি স্টার। একই কাজ করে বাংলাদেশের প্রথম সারির আরেকটি সংবাদপত্র প্রথম আলো। এমনটাই অভিযোগ এবং প্রমানিত। তারা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে চিহ্নিত করতে চেয়েছিল।  বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনে সময় এবং আন্দোলন পরবর্তী সময় সংখ্যালঘু এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার মিথ্যা অভিযোগ এনে ব্যপকভাবে সংবাদ উপস্থাপন করতে থাকে। এই প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারের সাথে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল জুলাই বিপ্লবীর 'রাজাকার' বলা এক নৃশংস মানুষ জাফর ইকবাল। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে সংবাদ কারসাজি নিয়ে দেশের জনগণের সতর্ক এবং এই দুই পত্রিকার মালিকানা পরিবর্তন বা নিষিদ্ধের কথাও বলেছেন অনেক। যখন দেশের সুনামধন্য সংবাদপত্র 'দৈনিক আমার দেশ ' ক্রমাগত আওয়ামী দূর্নীতি এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদ কায়েম করতে থাকে তখন আমার দেশ ছিল একদম নির্ভয় এবং মাহমুদুর রহমান ছিলেন আমার দেশের অকুতোভয় সম্পাদক। একই সময় বাংলাদেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের প্রচার মাধ্যম। ভারতীয় আধিপত্যবাদ প্রতিষ্ঠায় তারা বিভিন্ন কার্য সাধন করেছে। এ কারণে অনেকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW এর সাথে গোপনে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়। তাছাড়া প্রত্যক্ষভাবে ভারতীয় টাকায় চলে প্রথম আলো যেটা বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভারমা প্রথম আলোর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তিতে শুধুমাত্র বিনিয়োগের কথা বলা হলেও গোপনে গুপ্ত অপারেশনের সাথে যুক্ত প্রথম আলো।



এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ইয়ার্কি সদ্য চাকরি পাওয়া ভারতীয় দালাল।

ছবি: ইয়ার্কি। ইয়ার্কি সদ্য চাকরি পাওয়া ভারতীয় দালাল। ইয়ার্কি বাংলাদেশের এক বিনোদন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ব্লগ বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বিনোদনমূলক পোস্ট করে থাকে। তবে ইয়ার্কির সাময়িক কিছু আর্টিকেল ও মিম এর মাধ্যমে ইসলাম বিদ্বেষী ও হিন্দুত্ববাদের প্রকাশ পাওয়া যাচ্ছে। কিছুদিন আগে ইয়ার্কি পার্বত্য চট্টগ্রাম এর একটি বিষয় অর্থাৎ পাহাড়ী এবং সেনাবাহিনীর মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীকে ত্রিশুল দিয়ে হত্যা এর মতো একটা মিম প্রকাশ করে । এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কাছে সেনাবাহিনীকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে। এবং সম্প্রতি তারা বেশ কিছু ইসলাম বিদ্বেষী আর্টিকেল প্রকাশ করে যা এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের চিন্তা চেতনার পুরোপুরি পরিপন্থী। অনেকের মতে ইয়ার্কিকে অতি সদ্য জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত।

সংক্ষেপে নির্বাচনের তফসিল কী?

ছবি: প্রতীকী  নির্বাচনের তফসিল কী একটি নির্বাচন আয়োজনে যেসব কার্যক্রম রয়েছে তার সবকিছুর সময় বেঁধে দেয়া হয় তফসিলে। এটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখের একটি আইনি ঘোষণা। যেমন প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতার জন্য মনোনয়নের কাগজ কখন জমা দেয়া শুরু করতে পারবেন, সেটি ঘোষণা করা হয়। মনোনয়নের কাগজ নির্বাচন কমিশন কতদিনের মধ্যে বাছাই করবে, বাছাই প্রক্রিয়ায় যদি সেটি বাতিল হয়ে যায়, তাহলে প্রার্থিতা প্রত্যাশী ব্যক্তি কতদিন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন, তার সময় বেঁধে দেয় কমিশন। যারা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাবেন তাদের তালিকা কবে নাগাদ ছাপানো হবে, নির্বাচনী প্রচারণা কবে থেকে শুরু করা যাবে, আর কতদিন পর্যন্ত তা চালানো যাবে - সেটির উল্লেখ থাকে।

পাকিস্তানিরা বছরে প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো ট্রেডিং করে।

ছবিতে: পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। পাকিস্তানিরা বছরে প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো ট্রেডিং করে। পাকিস্তানীরা কত বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো ট্রেডিং করে এবং তাদের কত বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো অ্যসেট আছে তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অনলাইন ক্রিপ্টো ট্রেডিং প্লাটফর্ম বাইন্যান্স (Binance) । প্রতিবেদনটিতে বলা হয় পাকিস্তানিরা বছরে প্রায় ২৫০ বিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো ট্রেডিং করে।এবং পাকিস্তানিদের বর্তমান ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সমতূল্য ক্রিপ্টো আছে। খবর‌ প্রকাশের পর পাকিস্তান অর্থ মন্ত্রণালয় এবং স্টেট ব্যাংক অফ পাকিস্তানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একটি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা‌ ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি ক্রিপ্টো কয়েন তৈরির ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। যার নাম হবে  স্টেবলকয়েন (Stablecoin) । যা ক্রিপ্টো‌‌ মার্কেটে ট্রেড করা যাবে।