সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কথা বলা ১০ টি ভাষায় নাম।

ছবি: বিশ্ব মানচিত্র।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কথা বলা ১০ টি ভাষায় নাম।


মনের ভাব প্রকাশ মাধ্যম ভাষা ।আর পৃথিবীতে কত রকমের ভাষাই না আছে। চলুন আজকে জেনে নেই সবচেয়ে বেশি কথা বলা হয় এমন দশটি ভাষায় বিষয়ে।


১০. পাঞ্জাবি (ভারত-পাকিস্থান)


পাঞ্জাবি ভাষা ভারত উপমহাদেশের অন্যতম পাঞ্জাব প্রদেশের মানুষদের মধ্যে বেশ প্রচলিত। ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে এবং পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের এই পাঞ্জাবি ভাষা কথা বলা হয়। এই ভাষায় প্রায় ১২০ মিলিয়নের মতো মানুষ কথা বলে।


৯. জাপানি ভাষা 


জাপানি ভাষা রয়েছে বিশ্বে প্রচলিত ভাষায় মধ্যে নবম স্থানে। জাপানিরা এই ভাষায় কথা বলে। বিশ্বে জাপানি ভাষায় প্রায় ১২৫ মিলিয়ন মানুষ কথা বলে।


৮. রুশ ভাষা 


রাশিয়ার ভাষাকে বলা হয়ে থাকে রুশ ভাষা। তবে রাশিয়ার বাহিরেও বিশেষ করে ইউক্রেনে এই ভাষায় কথা বলা হয় । বিশ্বে রুশ ভাষা ব্যবহার কারীর সংখ্যা প্রায় ২৫৫ মিলিয়ন এর কাছাকাছি।


৭.পর্তুগিজ ভাষা


বিশ্বের ৭ বৃহত্তর ব্যবহারকারী ভাষা হলো পর্তুগিজ ভাষা । পর্তুগালের পাশাপাশি দক্ষিণ এবং উত্তর অ্যামেরিকায় এই ভাষার ব্যবহার পাওয়া যায়। বিশ্বের পর্তুগিজ ভাষায় কথা বলা ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ২৬৪ মিলিয়ন।


৬.বাংলা


বিশ্বের বাংলা ভাষা আছে ৬ষ্ঠ অবস্থানে ব্যবহার কারীর হিসেবে। বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কথা বলা হয় আমাদের বাংলাদেশে এর পরেই ভারতে পশ্চিম বঙ্গ এবং ত্রিপুরা, আসামের বেশ কিছু এলাকায়। বাংলা ভাষায় প্রায় ২৬৮ মিলিয়ন মানুষ কথা বলে।


৫. আরবি 


বিশ্বের ৫ম বৃহত্তর ভাষা হলো আরবি। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো যেমন সৌদি আরব,কাতার,কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রভূত দেশগুলোতে আরবি ভাষা ব্যবহার করা হয় । আরবি ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা ২৭৪ মিলিয়ন এর কাছাকাছি।


৪. স্প্যানিশ 


স্পেন একসময় বিশ্ব শাসন করেছে তাই স্প্যানিশ ভাষাও ছড়িয়ে গেছে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে।তবে স্প্যানিশ ভাষায় স্পেনে এবং অ্যামেরিকা মহাদেশের বেশ কিছু অঞ্চলে কথা বলা হয়। বিশ্বে স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে আনুমানিক ৫৩৪ মিলিয়ন মানুষ।


৩. হিন্দি


বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ভাষা হলো হিন্দি। ভারতে হিন্দি ভাষার ব্যবহার করা হয়। হিন্দি ভাষায় কথা বলা মানুষের পরিমাণ ৬১৫ মিলিয়ন।


২. মান্দারিন 


মান্দারিন হলো চীনের ভাষা। অধিকাংশ চীনা নাগরিক এই ভাষায় কথা বলে। বিশ্বে ১১১৭ মিলিয়ন মানুষ এই ভাষায় কথা বলে।


১.ইংরেজি 


ইংরেজি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা। ব্রিটিশরা যখন বিশ্ব শাসন করছিল তখন ইংরেজি ভাষা ছড়িয়ে যায় বিশ্বের নানা জায়গায়। বিশ্বে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার এরা হয় এমন দেশের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া এবং কিছু অন্য দেশ । বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষ কথা বলে এই ভাষায় যা প্রায় ১১৩৫ মিলিয়ন এর কাছাকাছি।


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

What is BO account in Stock Marker? শেয়ার বাজারে BO একাউন্ট কি?

শেয়ার বাজার সম্পর্কে অনেকেই জানতে আগ্রহী আর এ জন্য শেয়ার বাজারের BO একাউন্ট কী এ সম্পর্কে বলা হবে এই পোস্টে। BO Account এর ফুল ফর্ম হলো Beneficiary Owner Account। আপনার সাধারণ বা ব্যবসায়ীক কারণে অর্থ লেনদেন করতে যেমন ব্যংক একাউন্ট এর প্রয়োজন হয় ঠিক তেমনি শেয়ার বাজারে শেয়ার লেনদেন বা ক্রয়-বিক্রয় করতে BO একাউন্টের দরকার হয়। আপনি যখন কোনো শেয়ার ক্রয় করেন সেই শেয়ার আপনার BO একাউন্টে জমা হয়। আবার যখন আপনি শেয়ার বিক্রয় করেন তখন আপনার বিক্রয় করা  শেয়ারের টাকা আপনার BO একাউন্টে জমা হয়।  একটি BO একাউন্ট খুলতে হলে প্রথমে একটি ব্যংক একাউন্ট থাকতে হয় । BO একাউন্ট এবং ব্যংক একাউন্ট একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং আপনার BO একাউন্টের সাথে সংযুক্ত থাকা ব্যংক একাউন্টে আপনার স্টকের Devidend পৌঁছে যায়।  এবং একই ভাবে BO একাউন্টে থাকা স্টক বিক্রি করে পাওয়া টাকা আপনার BO একাউন্ট থেকে ব্যংক একাউন্টে নিতে পারেন।

How to check banglalink internet balance? বাংলালিংক সিমে কিভাবে ইন্টারনেট ব্যলেন্স চেক করে?

 বর্তমানে ইন্টারনেট এবং স্মার্টফোনের কল্যাণে ইন্টারনেট এবং সিম ব্যালেন্স সহ যাবতীয় বিষয় মোবাইলে App এর মাধ্যমে চেক করতে পারেন। কিন্তু যারা ফিচার ফোন ব্যবহার করে থাকে তারা সাধারণত কোনো Apps ব্যবহার করতে পারে না। যে কারণে তাদের ফিচার ফোনে বাটন টাইপ করে সমস্ত কিছু চেক করতে হয়। আপনি বাংলালিংকের ইন্টারনেট থেকে করতে পারেন *5000*500* এই কোডটি ব্যবহার করে। এবং বাংলালিংক ব্যলেন্স চেক করতে পারেন*১২৪# কোড দিয়ে। বাংলালিংক সিমে নাম্বার চেক করতে পারেন*৫১১# দিয়ে। বাংলালিংক ইন্টারনেট প্যাকেজ চেক করতে*৫০০০# বাংলালিংক এসএমএস এর জন্য*১২১*১৫# বাংলালিংক মিনিট চেক করতে*১১০০# কোড ব্যবহার করতে পারেন। এ সমস্ত কোড ব্যবহার করে আপনি অফলাইনে বাংলালিংক সিমের যাবতীয় বিষয় জানতে পারেন।

Taptap send কি? What is Taptap Send?

  Taptap send হলো একটি সার্ভিস যা আপনাকে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে টাকা আনতে সাহায্য করবে এ কারণে একে প্রবাসীদের App ও বলা হয় কারণ এই App টি তৈরি করা হয়েছে মূলত প্রবাসীদের বিদেশ থেকে দেশে টাকা পাঠানোর জন্য। Taptap send এর যাত্রা ২০১৮ সালে এটা ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে এশিয়া এবং আফ্রিকার মতো অঞ্চলগুলোতে টাকা পাঠানো উদ্দেশ্যে । আপনি যদি একজন প্রবাসী হয়ে থাকেন তাহলে Taptap send ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এটি অনেক কম খরচে অনেক ভালো সার্ভিস দিয়ে থাকে। এবং এর খরচ অনেক কম হওয়ার পাশাপাশি অনেক অল্প সময়ে টাকা পাঠানো যায় Taptap send ব্যবহার করে।